January 25, 2022
27 °C Dhaka, Bangladesh

প্রকৃত ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সংগঠন হবে এফবিসিসিআই: জসিম উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশ অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ২০২১-২৩ মেয়াদে সভাপতি প্রার্থী হচ্ছেন বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। জসিম উদ্দিন বর্তমানে বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্যবসায় হাতেখড়ি নিয়ে খ্যাতনামা শিল্পদ্যোক্তায় পরিণত হওয়া মো. জসিম উদ্দিন দেশের অন্যতম শীর্ষ এই ব্যবসায়ী নেতা বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ও দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান।
তিনি প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে শিল্পাঙ্গনে যাত্রা শুরু করে ব্যবসা ছড়িয়েছেন- গণমাধ্যম, ব্যাংক, বীমা, হোটেল, আবাসন, সিমেন্ট, ইলেকট্র্রনিকস, কেমিক্যাল, খাদ্য প্রস্তুতকরণ, ট্রেডিং, তৈরি পোশাক ও পশু খাদ্য প্রক্রিয়াকরণসহ বহু খাতে। বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফেকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন- বিপিজিএমইএ সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন অর্থনীতিতে অবদান রেখে একাধিকবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ব্যক্তিত্ব- সিআইপি সম্মাননা পেয়েছেন। জাতীয় রফতানি ট্রফিও জিতেছেন একাধিকবার। প্রায় ৩০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে অর্থনীতিকে সমৃদ্ধকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছেন ৫৬ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা।
তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মকে সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর বাংলাদেশ উপহার দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ভোরের পাতাকে। ২০১০-১২ মেয়াদে এফবিসিসিআই নির্বাচনে সিনিয়র সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মো. জসিম উদ্দিন। আগামী ৫ মে ভোট গ্রহণ ও ৭ মে সভাপতি, সিনিয়র সহ সভাপতি ও সভাপতি পদে নির্বাচন হবে। সভাপতি নির্বাচিত হলে জসিম উদ্দিন ব্যবসায়ীদের জন্য যা করতে চান, তা জানিয়েছেন।
জসিম উদ্দিন বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। অনেক ছোট থেকে বড় হয়েছি। আমিও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ছিলাম। সুতরাং আমি জানি ছোট ব্যবসায়ীদের দুঃখ দুর্দশা। এফবিসিসিআইয়ের মত সংগঠন সবার জন্য দরকার। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ীদের। বড়দের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করতে পারে। কিন্তু ছোট ব্যবসায়ীরা নিজেদের সমস্যা নিজেরা সমাধান করতে পারে না। এফবিসিসিআই তাদের জন্য বেশি দরকার।
তিনি বলেন, এফবিসিসিআইকে গবেষণাভিত্তিক ব্যবসায়ী সংগঠন হতে হবে। ছোট-বড় সবাইকে নিয়ে এটা অংশগ্রহণমূলক কাজের প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত। যারা নির্বাচন করেন, যেসব সেক্টরের প্রতিনিধিত্ব করেন, প্রকৃত ব্যবসায়ী, তাদের সংগঠনই হওয়া উচিত এফবিসিসিআই।
জসিম উদ্দিন বলেন, আমি দায়িত্ব নিতে পারলে সারাদেশের সবগুলো চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে ব্যাংকের সঙ্গে সংযুক্ত করতে চাই। ব্যাংক এখনও ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের টাকা দিতে পারে না। ব্যাংকগুলো মনে করে ছোট ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিপূর্ণ। টাকা ফেরত না পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন ছোট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে, কো-অপারেট করা গেলে সবাই উপকৃত হবে। আমি ছোট-বড় সব ব্যবসায়ীর জন্যেই কাজ করতে চাই।
চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ ভূমিকায় মহামারি করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। তবে রফতানি এখনো আগের অবস্থায় ফেরেনি। কিছুটা ধীরগতি রয়েছে। আমাদের পণ্য যেসব দেশে বিক্রি হয়। সেসব দেশে এখনো করোনার ভয়াবহ অবস্থা। বিশেষ করে আমেরিকা এবং ইউরোপের বাজার। স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্থা খারাপ নয় ভালো। কিছুটা স্লো হলেও তুলনামূলকভাবে অনেক ভালো।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি অনেক ভালো। রফতানি পণ্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছেন, সেটা খুবই কার্যকর হয়েছে। যার ফলে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়নি। আমরা যেভাবে চিন্তা করেছিলাম। অনেক শ্রমিক ছাঁটাই হবে, অনেক কারখানা বন্ধ হবে। সেটা পুনরুদ্ধার হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে কারখানাগুলো স্ট্রাগল করছে। কারণ অর্ডার কমে গেছে। শিপমেন্ট কমে গেছে। পেমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতারা এককালীন পেমেন্ট করতে পারছেন না। কারণ তাদের শোরুমগুলো বন্ধ। অনেক জায়গায় এখনো লকডাউন চলছে।
জসিম উদ্দিন বলেন, ২০২৭ সালে এলডিসি গ্রাজুয়েশন আছে। এলডিসি গ্রাজুয়েশনের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ আসছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সরকার এবং বেসরকারিখাতকে একত্রে কাজ করতে হবে। এজন্য আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনের বিজনেস উইংগুলোকে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট, এফটিএ নিয়ে কাজ করতে হবে। চলতি বছর ভিয়েতনাম ইউরোপের এফটিএ সুবিধা পেলে তারা শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে, তখন কিন্তু আমাদের প্রতিযোগী থাকছে না। রাশিয়া, তুরস্কের মতো জায়গাও এফটিএ নিয়ে কাজ করা দরকার।
জসিম উদ্দিন বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করা দরকার। সরকার নীতি নির্ধারণে অনেক সময় বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে না। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার কাজটাই এফবিসিসিআই করবে। যেমন, অনেকগুলো বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন হচ্ছে। সেখানে কাস্টম, পরিবেশের কী হবে, সেটা এখনো চিহ্নিত হয় নাই। এসব পলিসি ঠিকমত করা না গেলে শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমি যেটা শুনেছি, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে উৎপাদিত পণ্য স্থানীয়ভাবে বিক্রি করতে হলে বিদেশ থেকে আনা পণ্যের সমান ট্যাক্স দিতে হবে। যদি সেটা করা হয়, তাহলে স্পেশাল ইকোনোমি জোনে কেউ যাবে না। এনবিআর, পরিবেশ ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এসব বিষয়ে এফবিসিসিআইর সমঝোতা করা দরকার।
বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হবে বাংলাদেশ। সরকারের যেসব মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে তাতে সম্ভব। অবকাঠামো উন্নয়ন হলেই শিল্পায়ন হবে। দেশ শিল্পায়নের দিকে আগাচ্ছে। সেবাখাত আমাদের দেশ অনেক দুর্বল। সেখানে গুরুত্ব দেওয়া খুবই দরকার। সেবাখাতে অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। একটি দেশ যখন মধ্যম আয়ের হয়, তখন সেবাখাত অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। সরকারের পরিকল্পনাগুলো অর্জন করা গেলে দেশের উন্নয়ন হবে। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যও বাড়বে। এফবিসিসিআইয়ের কাজ হওয়া উচিত সরকারের পরিকল্পনাগুলোর সঙ্গে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত এবং বাস্তবায়ন করা। আমি মনে করি, তাহলেই আমাদের লক্ষ্য পূরণ হবে।
খেলাপি ঋণের বিষয়ে জসিম উদ্দিন বলেন, ব্যবসা করতে গেলে লাভ-লোকসান হতেই পারে। বাংলাদেশে ব্যবসার সিস্টেম হচ্ছে একমুখী। কেউ ব্যবসায় ঢুকে গেলে আর বের হওয়ার সুযোগ নাই। বিদেশে বের হওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। আমাদের দেশের খেলাপিরা চিহ্নিত। এদেরকে আমরা সবাই চিনি ও জানি। ব্যাংকগুলোর সমস্যা হচ্ছে সব সময় তারা করপোরেটদের সঙ্গে ব্যবসা করতে চায়। মানে সহজ ব্যবসা চায়। ব্যাংক একজনকে ৫০-১০০ কোটি দেয়। সেখান থেকে প্রফিট এলো ব্যাংক চললো।
তিনি আরও বলেন, এখন যারা প্রকৃত বড় ব্যবসায়ী তারা স্থানীয় ঋণ নিচ্ছে না। তারা কম সুদে বিদেশ থেকে টাকা আনছে। যারা টাকা নিয়ে দিতে পারে না, তারাই নিতে চাচ্ছে। ব্যাংকগুলোর উচিত এখন এসএমই খাত ও গ্রামে চলে যাওয়া। এনজিওগুলোর দিকে যদি তাকান উচ্চ সুদ নিয়েও তারা মুনাফা করছে। তাদের কোনো খেলাপি নেই। তারা কিভাবে ২০-২২ শতাংশ সুদ নিয়ে সারভাইব করছে। গ্রামে যাওয়া সহজ। কারণ গ্রামের ইউনিয়নেও ইন্টারনেট সংযোগ আছে। উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং করতে পারেন। এগুলো না করলেও আরও সমস্যা হবে। নতুন ব্যাংক এসে কাকে টাকা দেবে? তাদের উচিত হবে এগুলোতে কাজ করা। আমি মনে করি, ব্যাংকগুলো চাইলে খেলাপি ঋণ আদায় করা সম্ভব।
সংগঠনটির সাবেক এই প্রথম সহ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি, আমাদের মহানায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০, ভিশন ২০৪১ ও একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে বলিষ্ঠ ভূমিকায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ ও মানুষ। নতুন নতুন সম্ভাবনায় প্রতিনিয়ত সাড়া দিয়ে এক নির্ভয় দূরদর্শী নেতৃত্ব সমৃদ্ধ করে চলেছে আমাদের অর্থনীতি। এক্ষেত্রে সাফল্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচনেই আগামী দিনে মনোযোগ দিতে চাই। মো. জসিম উদ্দিন মনে করেন- এফবিসিসিআইর আগামী নেতৃত্বকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে এফবিসিসিআই অধিভুক্ত সারা দেশের সব চেম্বার এবং অ্যাসোসিয়েশনসমূহের আর্থিক এবং সাচিবিক সক্ষমতা বাড়ানো খুবই জরুরি।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে বেসরকারি খাতের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করে ব্যবসায়ী, একাডেমিক এবং থিংক-ট্যাংকদের নিয়ে একটি বিশ্বমানের দরকষাকষি কমিটি গঠন করার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে। এ জন্য বিনিয়োগ প্রয়োজন। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে হবে। বাংলাদেশকে এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক সুবিধা নিতে হবে। এশিয়া বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি।
মো. জসিম উদ্দিন বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন হলেই শিল্পায়ন হবে। দেশ শিল্পায়নের দিকে এগোচ্ছে। এ মুহূর্তে সেবা খাতকে গুরুত্ব দেওয়া খুবই দরকার। সেবা খাত নিয়েও কাজ করতে হবে। সেখানে অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। একটি দেশ যখন মধ্যম আয়ের হয়, তখন সেবা খাত অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।
এদিকে, গত বুধবার এফবিসিসিআই নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচনী বোর্ড। চেম্বার গ্রুপের ২৩টি পদের জন্য ২৫ জন ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের ২৩টি পদের জন্য ২৫ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়।  এছাড়া মনোনীতদের মধ্যে চেম্বার গ্রুপের ১৭টি পদের মধ্যে ১৬ জন ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের ১৭টি পদের মধ্যে ১৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়। ২৬ এপ্রিল প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।
ব্যবসায়ী নেতা জসিম উদ্দিন এ সম্পর্কে বলেন, মহামারির মধ্যে অনেকটা সংযতভাবেই যেন নির্বাচনটা হয় সেটাই আমরা চাচ্ছি। চেম্বার গ্রুপ ও অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপে দুইজন করে চারজন পদের চেয়ে বেশি প্রার্থী রয়েছেন। আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে এদের যেকোনো চারজন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়ে ভোটের প্রয়োজন হবে না।
শেয়ার করুন, সচেনতা বাড়ান:
Previous Article

এবার যার প্রেমে পড়লেন পরীমনি!

Next Article

শখের ঘুড়ি বানানো থেকে আয়ের উদ্দেশ্যই – মোসারফের

You might be interested in …

বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল সাভার টঙ্গী গাজীপুর ও চট্টগ্রাম

ডেক্স নিউজ: বকেয়া বেতনের দাবিতে রোববার সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্ট শ্রমিকরা। করোনার মহামারী ঠেকাতে দীর্ঘ ছুটির মধ্যেই দূরত্ব বিধির তোয়াক্কা না করে হাজার হাজার শ্রমিক রাস্তায় বেরিয়ে এসে […]

বিজিএমইএ’র অনুরোধ সেবার মান বৃদ্ধির জন্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো হ্যান্ডেলিং সেবার মান বৃদ্ধির জন্য সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। বিজিএমইএ এর একটি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের […]

এপ্রিলে রফতানিতে আয় বেড়েছে ২৬১ কোটি ডলার

করোনাভাইরাসের লাগাম টানতে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও পণ্য রফতানিতে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। এপ্রিলে মাসে রফতানি আয় বেড়েছে ৫০৩ শতাংশের বেশি। সংখ্যায় অস্বাভাবিক মনে হলেও এটাই সত্যি। যদিও এর পেছনে রয়েছে ভিন্ন গল্প। রোববার (২ […]